নিজস্ব প্রতিবেদক:
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে আয়োজিত পলিসি সামিট ২০২৬-এ অংশ নিয়েছেন প্রায় ৩০ দেশের প্রতিনিধি, যাদের মধ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ভারত, পাকিস্তান, চীন, জাপান, ইরান, মালয়েশিয়া, তুরস্ক, মালদ্বীপ, ব্রুনাই ও শ্রীলঙ্কা।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে সামিটের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়। সকাল থেকে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
সামিটের শুরুতে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান কী-নোট উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রধান চ্যালেঞ্জ এখন কেবল টিকে থাকা নয়, বরং স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা। তিনি দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক রূপরেখার ওপর আলোকপাত করেন এবং নির্বাচনকে সামনে রেখে সমৃদ্ধ বাংলাদেশের পরিকল্পনা তুলে ধরেন।
ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস দীর্ঘ ও অসমাপ্ত সংগ্রামের ইতিহাস। ১৯৪৭ সালের ঔপনিবেশিক শাসনমুক্তি ও ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের মূল লক্ষ্য ছিল সামাজিক ন্যায়বিচার ও অর্থনৈতিক মুক্তি। তবে পাঁচ দশকের বেশি সময় পার হলেও এই প্রতিশ্রুতি পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি।
তিনি বলেন, গত ১৭ বছরে শাসনব্যবস্থার ব্যর্থতা ও কর্তৃত্ববাদী নীতির কারণে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান দুর্বল হয়েছে, জবাবদিহি কমেছে এবং নাগরিকদের কণ্ঠস্বর সংকুচিত হয়েছে। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে জনগণ—বিশেষ করে তরুণরা—নিজেদের অধিকার ও ভবিষ্যৎ পুনরুদ্ধারের দাবি জানিয়েছে।
জামায়াত আমির উল্লেখ করেন, ফ্যাসিবাদী শাসনের অন্ধকার অধ্যায় পার হয়ে বাংলাদেশ এখন গণতান্ত্রিক রূপান্তরের গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়েছে। এই পথে এখনও বড় চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে।