June 27, 2026, 7:41 am

নাহিদ ইসলামের রিট খারিজ, ভোটে থাকছেন বিএনপির এম এ কাইয়ুম

  • Update Time : Tuesday, February 3, 2026

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ড. এম এ কাইয়ুমের প্রার্থিতা বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। তার প্রার্থিতার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের করা রিট আবেদন সরাসরি খারিজ করে দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (তারিখ উল্লেখযোগ্য) বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

আদালতের আদেশের ফলে ঢাকা-১১ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে এম এ কাইয়ুমের নির্বাচনে অংশগ্রহণে আর কোনো আইনি বাধা থাকল না। আদেশের পর কাইয়ুমের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম বলেন, কাইয়ুম শুরু থেকেই বৈধ প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী প্রতিযোগিতায় রয়েছেন। রিট খারিজ হওয়ায় তিনি যথারীতি ভোটে অংশ নিতে পারবেন।

অন্যদিকে, নাহিদ ইসলামের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন জানান, হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করা হবে।

এর আগে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে গত ৩ জানুয়ারি রিটার্নিং কর্মকর্তা এম এ কাইয়ুমের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেন। পরবর্তীতে ২২ জানুয়ারি তাকে বিএনপির নির্বাচনী প্রতীক ‘ধানের শীষ’ বরাদ্দ দেওয়া হয়।

এই সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে নাহিদ ইসলাম হাইকোর্টে রিট করেন। রিটে অভিযোগ করা হয়, এম এ কাইয়ুম ভানুয়াতু রাষ্ট্রের নাগরিক এবং তিনি দ্বৈত নাগরিকত্বের বিষয়টি মনোনয়নপত্রের হলফনামায় গোপন করেছেন।

আজকের আদালতের কার্যতালিকায় রিটটি ৮২ নম্বর ক্রমিকে শুনানির জন্য ওঠে। নাহিদ ইসলামের পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেনের সঙ্গে শুনানিতে অংশ নেন আইনজীবী জহিরুল ইসলাম মুসা। কাইয়ুমের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম ও মো. রুহুল কুদ্দুস। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আরশাদুর রউফ ও অনীক আর হক। তাদের সঙ্গে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মুহাম্মদ শফিকুর রহমান।

রিট খারিজের বিষয়ে কাইয়ুমের আইনজীবী আহসানুল করিম বলেন, রিট আবেদনের ভিত্তি ছিল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাওয়া তথ্য, যা ঘটনাগতভাবে বিতর্কিত। এ ধরনের বিষয় নির্বাচনী সময়ে হাইকোর্টে নির্ধারণযোগ্য নয়। নির্বাচন চলাকালে উদ্ভূত বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালের পথ খোলা রয়েছে। নির্বাচন শেষে যদি প্রমাণিত হয় যে কোনো প্রার্থী তথ্য গোপন করেছেন, তাহলে সংবিধান অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া ও প্রয়োজনে ফলাফল বাতিলের এখতিয়ার নির্বাচন কমিশনের রয়েছে।

Spread the love
More News Of This Category

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

2026 © All rights reserved by Duronto Bangla
Theme Developed BY ThemesBazar.Com