নিজস্ব প্রতিবেদক:
আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে টানা সাত দিনের সরকারি ছুটির প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। ঘোষিত সূচি অনুযায়ী আগামী ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত দেশের সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে। তবে জরুরি সেবাসংক্রান্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও কর্মীরা এই ছুটির আওতার বাইরে থাকবেন।
বৃহস্পতিবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ঈদের ছুটির কারণে আগামী ২৫ মে সোমবার থেকে ৩১ মে রোববার পর্যন্ত সব ধরনের সরকারি ও বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে। তবে ছুটির সমন্বয়ের অংশ হিসেবে আগামী ২৩ মে শনিবার এবং ২৪ মে রোববার অফিস খোলা রাখা হবে।
সরকার জানিয়েছে, জনজীবন স্বাভাবিক রাখতে বিভিন্ন জরুরি সেবা কার্যক্রম চালু থাকবে। এর মধ্যে বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি সরবরাহ, ফায়ার সার্ভিস, বন্দর কার্যক্রম, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট সেবা এবং ডাক বিভাগের কার্যক্রম চালু থাকবে।
এছাড়া এসব সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যানবাহন ও কর্মীরাও ছুটির আওতার বাইরে থাকবেন বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
স্বাস্থ্যসেবা খাতেও ছুটি প্রযোজ্য হবে না। হাসপাতাল, জরুরি চিকিৎসাসেবা এবং এ খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক, নার্স ও কর্মীরা নিয়মিত দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম পরিবহনকারী যানবাহন ও কর্মীদেরও ছুটির বাইরে রাখা হয়েছে।
সরকার আরও জানিয়েছে, জরুরি কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত অফিসগুলোও প্রয়োজন অনুযায়ী খোলা থাকবে।
ব্যাংকিং কার্যক্রম চালু রাখার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক পৃথক নির্দেশনা দেবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে। একইভাবে আদালতের কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে সুপ্রিম কোর্ট।
অন্যদিকে, বেসরকারি শিল্পপ্রতিষ্ঠান, কল-কারখানা ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের ছুটির বিষয়ে বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।
ঈদকে কেন্দ্র করে দীর্ঘ ছুটি ঘোষণা হওয়ায় রাজধানী ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বিপুলসংখ্যক মানুষ। ফলে সড়ক, রেল ও নৌপথে যাত্রীচাপ বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।