নিজস্ব প্রতিবেদক:
সদ্যপ্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করতে দলীয় নেতাকর্মীদের ব্যাপক উপস্থিতি দেখা গেছে। শুক্রবার সকাল থেকেই বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন ব্যানার ও মিছিল নিয়ে জিয়া উদ্যানে আসতে শুরু করেন।
এদিন সকালে খালেদা জিয়ার পরিবারের সদস্যরাও কবর জিয়ারত করেন। তারেক রহমানের মেয়ে জাইমা রহমান, ছোট ছেলে প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী সৈয়দা শর্মিলা রহমানসহ নিকটাত্মীয়রা প্রথমে কবর জিয়ারত করেন। এ সময় নিরাপত্তার স্বার্থে কিছু সময়ের জন্য সাধারণ মানুষের প্রবেশ বন্ধ রাখা হলেও পরে তা উন্মুক্ত করা হয়।
কবর জিয়ারত করতে আসা ধানমন্ডির বাসিন্দা মোখলেছুর রহমান বলেন, “আমার নেত্রীর কবর জিয়ারত করতে এসেছি। আল্লাহর কাছে তার রুহের মাগফেরাত কামনা করছি।”
গেন্ডারিয়া থেকে পরিবারসহ আসা মুজিবুল হক বলেন, “খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করতেই এখানে এসেছি।”
জাতীয় সংসদ ভবনের উত্তর পাশের সড়কে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে বাস ও মাইক্রোবাসে করে নেতাকর্মীদের আসতে দেখা যায়। তারা ছোট ছোট মিছিল নিয়ে জিয়া উদ্যানে প্রবেশ করে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ ও বিজিবির সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন।
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ থেকে আসা শাফিউর রহমান সাফি বলেন, “অফিসের কারণে দাফনের দিন আসতে পারিনি। আজ বন্ধ থাকায় রাতে রওনা হয়ে সকালে ঢাকায় পৌঁছে কবর জিয়ারত করেছি।”
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আজ দেশজুড়ে তৃতীয় ও শেষ দিনের মতো রাষ্ট্রীয় শোক পালন করা হচ্ছে। এ উপলক্ষে দেশের সব ধর্মীয় উপাসনালয়ে বিশেষ দোয়া ও প্রার্থনার আয়োজন করা হয়েছে। জুমার নামাজের পর সব মসজিদে তার রুহের মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া করা হবে।
উল্লেখ্য, গত ৩১ ডিসেম্বর পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বেগম খালেদা জিয়াকে তার স্বামী শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে দাফন করা হয়। দাফনের আগে সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষ থেকে তাকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করা হয়।