ক্রীড়া প্রতিবেদক:
ইন্টারন্যাশনাল লিগ টি-টোয়েন্টিতে শারজা ওয়ারিয়র্জের বিপক্ষে অভিষেক হলেও প্রথম দুই ম্যাচে প্রত্যাশিত ছন্দে দেখা যায়নি সাকিব আল হাসানকে। প্রায় দুই সপ্তাহের ব্যবধানে আবুধাবি নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচেও ছিলেন নিষ্প্রভ। যদিও দুই ম্যাচেই তার দল এমআই এমিরেটস জয় পেয়েছিল। তবে রোববার ডেজার্ট ভাইপার্সের বিপক্ষে ম্যাচে সম্পূর্ণ ভিন্ন রূপে ধরা দেন এই বাঁহাতি অলরাউন্ডার। দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে দলকে ৪ উইকেটের জয় এনে দিয়ে ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতেন সাকিব।
দুবাইয়ে টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ে নামে ডেজার্ট ভাইপার্স। সপ্তম ওভারে বোলিংয়ে এসে সাকিব প্রথম আঘাত হানেন। নিজের প্রথম ওভারের শেষ বলে ফখর জামানকে নিকোলাস পুরানের হাতে ক্যাচ বানান তিনি। পরের ওভারে স্যাম কারানকে ফিরতি ক্যাচে বিদায় করে নিজের দ্বিতীয় উইকেট তুলে নেন।
চার ওভার বোলিং করে সাকিব খরচ করেন মাত্র ১৪ রান। প্রথম ওভারে ৫ রান দিলেও পরের তিন ওভারে দেন মাত্র ৯ রান। তার ২৪ বলের মধ্যে কোনো বাউন্ডারি মারতে পারেননি প্রতিপক্ষ ব্যাটাররা, ডট বল ছিল অর্ধেক। তার বোলিং ফিগার দাঁড়ায় ৪-০-১৪-২, যার ওপর ভর করে ভাইপার্সকে ১২৪ রানে আটকে দেয় এমিরেটস।
১২৫ রানের লক্ষ্য তাড়ায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন সাকিব। ১৮তম ওভারের তৃতীয় বলে জয়সূচক চার হাঁকান তিনি। ২৫ বল খেলে ১৭ রানে অপরাজিত থাকেন এই বাঁহাতি ব্যাটার।
এমিরেটসের হয়ে অধিনায়ক কিয়েরন পোলার্ড করেন সর্বোচ্চ ২৬ রান। সাকিবের সঙ্গে তার ৩৩ রানের জুটি দলের জয়ে বড় ভূমিকা রাখে। এছাড়া সঞ্জয় কৃষ্ণমূর্তি করেন ২১ রান। ৬ উইকেট হারিয়ে ১৫ বল হাতে রেখেই টানা তৃতীয় জয় নিশ্চিত করে এমআই এমিরেটস।