নিজস্ব প্রতিবেদক:
জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক ঢাকা মহানগর উত্তর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আজিজুর মোসাব্বির হত্যাকাণ্ড ব্যবসাকেন্দ্রিক হতে পারে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলাম।
রোববার (১২ জানুয়ারি) বিকেলে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, গ্রেপ্তারকৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। ডিবি পুলিশের অভিযান শেষে দুই শুটারসহ মোট তিনজনকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া আরও একজন পলাতক রয়েছে।
ডিবি জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি নম্বরবিহীন মোটরসাইকেল ও ছয় হাজার টাকা জব্দ করা হয়েছে। তদন্ত চলছে হত্যার প্রকৃত উদ্দেশ্য ও অস্ত্র উদ্ধারের জন্য।
মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, আসামিদের কোনো রাজনৈতিক পরিচয় নেই। তবে ভিকটিম রাজনৈতিক নেতা হওয়ায় রাজনৈতিক কারণে হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে কি না, তাও তদন্তে দেখা হচ্ছে। এছাড়া কারও কারও ব্যবসা আছে এবং রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ ছিল।
তিনি আরও জানান, হত্যাকাণ্ডের আগে মোসাব্বির চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে মানববন্ধনে অংশ নিয়েছিলেন। সেখানে মারামারির ঘটনা ঘটেছিল এবং সেই ঘটনায় মামলা রয়েছে।
মোসাব্বিরকে গত ৭ জানুয়ারি রাত সাড়ে ৮টার দিকে রাজধানীর কারওয়ান বাজারের স্টার গলিতে গুলি করা হয়। আহত অবস্থায় তাকে পান্থপথের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনাস্থলে থাকা তেজগাঁও রিকশা-ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আবু সুফিয়ান বেপারী মাসুদও গুলিবিদ্ধ হন।
ঘটনার পরদিন মোসাব্বিরের স্ত্রী সুরাইয়া বেগম অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় মামলা দায়ের করেন। তিনি অভিযোগ করেন, কয়েকদিন ধরেই তার স্বামী জীবননাশের হুমকি পাচ্ছিলেন।